Header Ads

Header ADS

এমরান ‘খুন’ হয়েছেন, কিন্তু উদ্ধার হওয়া লাশটি কার

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের হারিন্দা এলাকার বাসিন্দা ছিলেন মো. এমরান (২৪)। ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে তিনি নিখোঁজ হন। ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে শীতলক্ষ্যায় একটি লাশ ভেসে ওঠে। লাশটি এমরানের বলে শনাক্ত করে পরিবার।





এমরান হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার:

এমরানের পরিবারের অভিযোগ, টাকা দিয়ে ডিএনএ প্রতিবেদন পরিবর্তন করেছেন আসামিরা। আর তাঁরা এখন মামলা তুলে নিতে হুমকি দিচ্ছেন।

অবশ্য মামলার বর্তমান তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) পরিদর্শক হাসিনা বেগম বলেছেন, ডিএনএ প্রতিবেদনে যা-ই আসুক না কেন, এমরান যে খুন হয়েছেন, তা নিশ্চিত। একাধিক আসামি জবানবন্দিতে এমরানকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন।

২০১৭ সালের ২০ সেপ্টেম্বর নিখোঁজ হয়েছিলেন এমরান। তিনি স্থানীয় একটি কলেজে পড়তেন। পাশাপাশি বালুর ব্যবসা করতেন। এমরানের খোঁজ না পেয়ে ২০১৭ সালের ১৪ ডিসেম্বর রূপগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে পরিবার। ২০১৮ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি শীতলক্ষ্যা নদীতে একটি গলিত লাশ ভেসে ওঠে। লাশটি এমরানের বলে শনাক্ত করে পরিবার। ২৩ ফেব্রুয়ারি রূপগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন এমরানের বড় ভাই মো. মোস্তফা। মামলায় সাত আসামির নাম উল্লেখ করা হয়।

No comments

Powered by Blogger.